অপরাধ

নারীদের সাথে প্রতারনার ফাঁদ “মতিহার থানা হস্তশিল্প শ্রমিক ইউনিয়নের “

  editor 23 June 2025 , 7:45 am

তন্ময় দেবনাথ :

মতিহার থানা হস্তশিল্প শ্রমিক ইউনিয়নের ” নামে সারাদেশে নারীদের প্রতারণার ফাঁদে জড়িয়ে টাকা আত্মসাৎ, হয়রানি সহ নানা অভিযোগ পাওয়া গেছে। সংঘঠনের সভাপতি সাহানা খান সাথী ও তার স্বামী আহসান উল্লাহ রাসেলের বিরুদ্ধে। এমন অভিযোগে রাজশাহী মহানগরীর মতিহার থানায় একটি লিখিত অভিযোগ হয়েছে বলেও জানা যায়।

জানা যায়, মতিহার থানা হস্তশিল্প শ্রমিক ইউনিয়নের “
সারাদেশের বিভিন্ন উপজেলার গ্রামের সহজ সরল বেকার নারীদের কর্মসংস্থানের নামে প্রতারনার ফাঁদ পাতে। সেই সংঘঠনের নামে বিভিন্ন সময় ঋণ সুবিধা দেওয়া, বিদেশি প্রজেক্ট নিয়ে দেয়া নামে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়া, সেলাই মেশিন দেয়ার নামে টাকা আত্মসাৎ, নারীদের কাজ করানোর পরে বেতনের টাকা না দেয়া সহ বিভিন্ন অভিযোগ পাওয়া যায় ওই সংগঠনের সভাপতি সাহানা খান সাথী ও তার স্বামী আহসান উল্লাহ রাশেলের বিরুদ্ধে।

এ সকল অভিযোগ আর অনিয়ম থেকে বাঁচতে প্রতারক দম্পতি সাহানা খাঁন সাথী ও আহসান উল্লাহ রাসেল আত্মগোপন করে রাখেন।
অতঃপর সাহানা খান সাথী ও তার স্বামী আহসান উল্লাহ রাসেলকে গ্রেফতারের দাবিতে রবিবার ২২শে জুন সকালে নগরীর সিএন্ডবি মোড়ে এক মানববন্ধন করেন প্রতারণার শিকার ভুক্তভোগী সকল পরিবার।

মানববন্ধনে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন, ২০২৪ সাল থেকে তারা এই দম্পতির প্রতারণার ফাঁদে পা দেন। বিশেষ করে যারা অসহায়, দুঃস্থ ও বিধবা মহিলা রয়েছেন তাদেরকেই টার্গেট করতেন এই দম্পতি। মিষ্টি কথার জালে জড়িয়ে বিভিন্ন ট্রেনিং করানো এবং পরবর্তীতে সেখানে ফ্যাক্টরি তৈরি করে তাদের সেখানে লিডার হিসেবে কাজ করানোসহ বিভিন্ন কর্মস্থলে কাজে লাগিয়ে দেওয়া, হস্তশিল্পের কর্মের জন্য মেশিনসহ বিভিন্ন উপকরণ কেনার মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে হাতিয়ে নিয়েছেন প্রায় কোটি টাকা। তারা আরো জানান, প্রতারক এই দম্পতির বিরুদ্ধে নগরীর মতিহার থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করা হয় অভিযোগের ভিত্তিতে সাহানা খান সাথী ও তার স্বামী আহসান উল্লাহ রাসেল মীমাংসার জন্য একটি ডেট করেন ডেট এর আগেই দম্পতি এলাকা ছেড়েপলাশন করেন। মতিহার থানার এস আই মিজান ভুক্তভোগীদের টাকা ফেরত পাওয়ার বিষয়ে আশ্বস্ত করলেও পরবর্তীতে তিনি জানান প্রতারক দম্পতির সঙ্গে তিনি যোগাযোগ করতে পারছেন না।
মানববন্ধন থেকে অনতিবিলম্বে প্রতারক দম্পতিকে গ্রেফতার করার জোর দাবির পাশাপাশি তাদের কষ্টার্জিত অর্থ ফেরত পেতে প্রশাসনের প্রতি আহবান জানান ভুক্তভোগী পরিবার।

এই বিষয়ে মতিহার থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আঃ মালেক জানান এই বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত চলমান রয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও খবর:

Sponsered content