editor 9 April 2026 , 2:48 pm
নিজস্ব প্রতিনিধি : নারায়ণগঞ্জ সিদ্দিরগঞ্জ থানার প্রতারক মান্নানের প্ররোচনায় দিলশাদ সাংবাদিক সুলতান মাহমুদের নামে আদালতে মিথ্যা মামলা করে। উক্ত মামলা ধর্ষন মামলার সাজা প্রাপ্ত ও বৈষম্য বিরোধী মামলার ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামী মান্নানের মধ্যস্থায় আরেক প্রতারক আকরামকে দিয়ে এস আই আল আমিনকে টাকা দিয়ে মিথ্যা প্রতিবেদন তৈরি করে বিজ্ঞ আদালতে দাখিল করেছে। ঘুষখোর এস আই আল আমিন সাংবাদিক সুলতান মাহমুদের কাছে সুবিধা চেয়ে না পেয়ে, মান্নান ভুইয়ার প্ররোচনায় বাদী দিলশাদ থেকে অনৈতিক সুবিধা নিয়ে ও পেয়ে আদালতের মিথ্যা পিটিশন মামলায় মিথ্যা ও বানোয়াট প্রতিবেদন দাখিল করেছে বলে জানায় ভুক্তভোগী সাংবাদিক সুলতান মাহমুদ। এস আই আল আমিন সাংবাদিকের কাছে আর্থিক সুবিধা না পেয়ে সাবেক ওসি নাসির সাহেবের ও সদ্য ক্লোজড হওয়া ওসি হালিম সাহেবের নির্দেশ অমান্য করে মান্নান ভুইয়া প্ররোচনায় আকরামের মাধ্যমে দিলশাদ থেকে আর্থিক সুবিধা নিয়ে মিথ্য ও বানোয়াট তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করে।
মিথ্যা মামলায় প্রতারক দিলশাদ উল্লেখ করে ১৬/০২/২৫ ইং তারিখে বিকাল ৫ টায় সুলতান মাহমুদ দিলশাদকে ডেকে চাদা দাবী করে, মারধর করে, হুমকি ধমকি দেয়, যা কাল্পনিক ও অসত্য সাজানো নাটক। একজন স্বনাম ধন্য সাংবাদিক, সংগঠক ও ব্যবসায়ীর নামে অনেক আজেবাজে মিথ্যা ও বানোয়াট কাহিনি দিয়ে মান্নানের প্ররোচনায় আদম ব্যবসায়ী, মানব পাচারকারী দিলশাদ প্রতিহিংসায় এই মামলা করে। প্রকৃতপক্ষক্ষে এই প্রতারক দিলশাদ সংগঠনে সহায়তার জন্য আবেদন করলে সাংবাদিক ও সংগঠক সুলতান মাহমুদ গুলশান থেকে আরেক আদম ব্যবসায়ীর কাছ থেকে মানব পাচার করার জন্য আটককৃত ৪৬ লক্ষ টাকার চেক ফেরত নিয়ে দেয়। দিলশাদকে আরেক সন্ত্রাসীরা অপহরন করে রায়েরবাগ নিয়ে আটক করিলে দিলশাদ অনেককে কল করে সাহায্য না পেয়ে সাংবাদিক সুলতান মাহমুদকে কল করিলে, সাংবাদিক নিজে রায়েরবাগ কদমতলি থানায় গিয়ে পুলিশ নিয়ে ওয়ারি জোনের পুলিশ কর্মকর্তাদের দিয়ে এই প্রতারক দিলশাদকে উদ্ধারেত ব্যবস্থা করে এবং অপহরণকারীদের কাছ থেকে ৭৬ লাখ টাকার চেক ও লিক্ষিত স্ট্যাম্প উদ্ধারের জন্য কদমতলি থানায় মামলা রুজু করার ব্যবস্থা করে।
বিশ্বাস ঘাতক উপকার ভুলে গিয়ে সাপ হয়ে দংশন করার জন্য চিটার-বাটপার, প্রতারক মান্নানের সাথে হাত মিলিয়ে সাংবাদিককে তার কাজের মুল্যায়ন না করে উলটা অপদস্থ করার জন্য নেশায় মত্ত হয়।
মামলার তদন্ত প্রতিবেদনে যাদের স্বাক্ষী নিয়েছে তারা সাংবাদিক সুলতান মাহমুদকে চিনেই না। ঘটনার স্থান প্রাইম জেনারেল হাসপাতাল কিন্তু সেখানে এমন ঘটনা ঘটে নাই বলে জানা যায়।মামলায় বা স্বাক্ষী হিসাবে হাসপাতালের কোন স্টাফ বা মালিক পক্ষ বা আশে পাশের কেঊ স্বাক্ষী করে নাই বা পুলিশ স্বাক্ষী নেই নাই। প্রাইম জেনারেল হাসপাতালে সিসি কেমেরা দ্ধারা বেস্টিত একটি প্রতিষ্ঠান, ঘটনার সত্যতার জন্য সিসি ফুটেজ অত্যান্ত জরুরী কিন্তু ঘুষখোর এস আই আল আমিন কি তা খতিয়ে দেখছে?
আরেক মিথ্যা স্বাক্ষীর নাম প্রতারক আকরাম, যার নামে চুরিসহ হত্যা মামলা রয়েছে। এই আকরাম প্রতারক মান্নানের সহকর্মী, আবার নাকি সাংবাদিক, কেমন সাংবাদিক? কোন পত্রিকার সাংবাদিক? তা খতিতে দেখার অনুরোধ করছে ভুক্তভোগী পরিবার।















