editor 8 July 2025 , 1:52 pm
নিজস্ব প্রতিনিধিঃ নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লার থানার এস আই ইয়াসিন আরাফাতের দুর্নীতির বিচার চেয়ে পুলিশ সুপার বরাবর বিচার।
৭ জুলাই সোমবার সকালে মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মালেকের মেয়ে এডভোকেট মনিরা জামান মলি বাদী হয়ে এই দরখাস্ত এসপি অফিসে জমা দেয়। মুল বিষয় ছিল বিজ্ঞ আদালতে জবাব ও নথি দাখিলের জন্য সময় ও তথ্য গোপন করে প্রতিবেদন তৈরি কারক এস আই’র বিরুদ্ধে আইনত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য। আবেদনটি নীচে তোলে ধরা হলঃ-
সবিনয় বিনীত নিবেদন এই যে আমি এডভোকেট মনিরা জামান মলি(৪২),পিতা-বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল্ মালেক, সাং ৭/১ শেরে বাংলা রোড, মাসদাইর থানা-ফতুল্লা মডেল, জেলা-নারায়নগঞ্জ। আপনার অফিসে এসে এই মর্মে আবেদন করছি যে ফতুল্লা থানার এস আই ইয়াসিন আরাফাত তথ্য গোপন করে আদালতের ৫৭৫/২৪ নং মামলার প্রতিবেদন অর্থের বিনিময়ে মিথ্যা ও বানোয়াট প্রতিবেদন তৈরি করে আদালতে দাখিল করে এক প্রতারককে অবৈভাবে সহয়তা করে আমাদের আর্থিক ক্ষতি করে। প্রকৃতপক্ষে ঘটনা হলঃ-সাধারন সেনা সদস্য থেকে অবসরে এসে বন্দর লক্ষন খোলার মোহাম্মাদ আলী জনি ভাড়ায় উঠে ৭/১ শেরে বাংলা রোড মাসদাইর এলাকার বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মালেকের বাড়ীতে। প্রতারনার আশ্রয় নিয় বাড়ি ভাড়ার অগ্রিম না দিয়ে সহজসরল আমার বাবকে বুলিয়ে ভবনের ৪র্থ তলার ২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে ফ্লাটে থাকতে শুর্য করে। ২১ সালের জানুয়ারি থেকে ২২ সালের জুলাই পর্যন্ত ভাড়া আটকে ফেলে। ১৯ মাসে ভাড়া ও গ্যাস বিল ১,৯০,০০০ (এক লক্ষ নব্বই হাজার) টাকা বকেয়া করে, দেন দরবার করে ৫০,০০০ (পঞ্চাশ হাজার) টাকা দেয়। সময়মত ভাড়া না দিয়ে প্রায় এক লক্ষ চল্লিশ টাকা আত্নস্বাদের চেষ্ঠা করে। বাড়ির পাশের মুদি দোকানদার থেকে বাকী এনে খেয়ে দোকানদারের বকেয়া পরিশোধ করে না এই অভদ্র নামের সাবেক সেনা সদস্য। বাসা ভাড়া চাইতে গেলে হয় মন-মানিল্য। দোকানদার বাকী টাকা চাইতে জনির ভাড়া বাসায় আসলে দোকাদারের সাথে শুরু করে ঝগড়া-বিবাদ। বাড়ীওয়ালার ছেলে-মেয়ে ঝগড়া থামাতে গেলে তাদের উপর চড়াও হয়ে মারধর করে জনি ও তার স্ত্রী এবং মেয়ে। তাদের হাতে নির্যাতিত হয়ে বাড়ীওয়ালার মেয়ে বাদী হয়ে ফতুল্লা থানায় অভিযোগ করলে তদন্ত পুর্বক ও মেডিক্যাল রিপোর্টে মামলা আমলে নিয়ে মামলা নেয় ফতুল্লা থানা পুলিশ। যার মামলা নং ৬৪(৪)২৪। জামিন নিতে গিয়ে স্ত্রী কন্যা জামিন পেলেও প্রতারক মোহাম্মদ আলী জামিন না পেয়ে চলে যায় কারাগারে। আলীর স্ত্রী কন্যা চলে যায় তার বাপের বাড়ী গজারিয়ায়। বাড়ীওয়ালা আসবাবপত্র সেফটির জন্য তার ফ্লাটের তার তালার উপর তালা মেরে রাখে যেন কোন দুর্ঘটনা না ঘটে। ক্ষমতাবান সেনা সদস্য জনি জেল থেকে বের হয়ে সংবাদ সম্মেলন করে, কুচক্রীদের পরামর্শে আদালতে মামলা করে দেয় তার স্ত্রীকে বাদী করে, যার নং ১৫৪/২৪ তারিখ ০৯/০৪/২৪ ইং। আদালত পিবিআইকে তদন্ত দেয়, পিবিআই তদন্ত করে ঘটনার কোন সত্যতা পায় নাই মর্মে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে। ১২৪ /২৪ নং মামলা ফয়দা নিতে না পেরে চতুর প্রতারক নিজে বাদী হয়ে আবার একই বিষয় নিয়ে আদালতে মামলা করে। যার নং ৫৭৫/২৪ তারিখ ২১/০৪/২৪ ইং । আদালত পিবিআইকে তদন্ত করার নির্দেশ দেয়। পিবিআই তদন্ত করে আগের মত কোন সত্যতা পায় নাই মর্মে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে। ঝুলে যায় তার বাসার মালামাল। এদিকে আর্মি জনি অনেক সাংবাদিক দিয়ে হুমকি ধমকি দেদারছে দিয়ে সর্বশেষে তার সংগঠনের সভাপতি ও তার সম্পাদককে মীমাংসার জন্য কল করালে ভদ্র লোকে কথায় আমরা রাজি হই কথা বলতে কিন্তু তার পাঠানো প্রতিনিধির কথা না মেনে মামলা লড়বে বলে হুংকার দেয়। পিবিআই তদন্ত করে আদালতে রিপোর্ট দিলে যৌথবাহিনীর ক্ষমতা দেখিয়ে ও রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে পিবিআই তদন্তের বিরুদ্ধে না-রাজি দেয়। আদালত ফতুল্লা থানাকে পুনরায় প্রতিবেদনের নির্দেশ দেয়। এর আগে র্যাব দিয়ে, ডিজিএফআই দিয়ে, এনএসআই দিয়ে কল করিয়ে অনেক হয়রানি করে আমাদের পরিবারকে। ফতুল্লা থানার এস আই ইয়াসিন আরাফাত জনির কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা খেয়ে আমাদেরকে কোন নোটিশ না দিয়ে, অবগত না করে, মন ইচ্ছা মত কাল্পনিক ও বানোয়াট প্রতিবেদন তৈরি করে আদালতে দাখিল করে যার কোন স্বাক্ষীও নাই, আবার এস আই ইয়াসিন তথ্য গোপন করে বাদীর পক্ষে মিথ্যা বানোয়াট সাফাই গেয়ে বাদীর জিম্মায় আসবাবপত্র দেওয়ার প্রতিবেদন আদালতকে দাখিল করে মর্মে আদেশ করায়। আদেশ করিয়ে আদালতের আদেশ হাতে হাত থানায় এনে ফোর্স নিয়ে চলে আসেন আসবাবপত্র নিতে কিন্তু টাকা ছাড়া মালামাল দিতে রাজী নয় বাড়িওয়ালা বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মালেক। ভুক্তভোগী সার্কেল এসপিকে কল করে ঘটনা জানালে,পুলিশের উর্ধতন কর্মকর্তায় নির্দেশে এস আই ইয়াসিন ফিরে যায় থানায়। মোহাম্মাদ আলী জনি রাজনৈতিক জোড় খাটিয়ে মুন্সিগঞ্জের বিএনপির সভাপতি ও যৌথ বাহিনীর কর্মকর্তা দিয়ে থানায় কল করাচ্ছে, যৌথ-বাহিনীর ভয় দেখাচ্ছে। পুলিশের এস আই অনৈতিক সুবিধা পেয়ে বার বার পেসার দিচ্ছে বাড়ীওয়ালাকে মালামাল দিয়ে দিতে, নয়তো পুলিশ ও রাজনৈতিক গুন্ডা বাহিনী নিয়ে এস আই তালা ভেঙ্গে জবর-দখল করবে বাড়ী ঘর। আমার পরিবারের সদস্যগন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। পিবিআই এর দুইটি প্রতিবেদন উপেক্ষা করে কিভাবে এস আই ইয়াসিন তথ্য গোপন করে মিথ্যা প্রতিবেদন দাখিল করে আদালত থেকে রায় আনে, তা পুনরায় তদন্তের জন্য আদালতে জবাব ও নথি দাখিল করার জন্য সময় প্রয়োজন। ন্যায় বিচারের স্বার্থে আমাদের সময় দিয়ে ও অমানবিক এবং অনৈতিক সুবিধাভোগী এস আই’র বিচার কারার অনুরোধ করছি।
















