অপরাধ

জাতীয় গৃহায়ন অধিদপ্তরের দুর্নীতির ভেড়াজালে পুর্নবাসন প্লট, ৩১ বছরে পায়নি দখল

  editor 11 July 2026 , 9:04 am

নিজস্ব প্রতিবেদক : ঢাকা মিরপুরের সেনপাড়া পর্ব্বত মৌজার সাখাওয়াতের পুর্নবাসনের প্লট নিয়ে জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের দুর্নীতি,  ৩১ বছরেও বুজিয়ে দেয়নি পুর্নবাসন প্লট। পপার্স লিগ্যাল এইড ফাউন্ডেশনে সহায়তার জন্য ভুক্তভোগীর আবেদন। সাখোয়াতের বৃদ্ধ পিতা হারুন অর রশিদ সংগঠনে আবেদন করেন। আবেদন নীচে তোলে ধরা হল:
সবিনয় বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আমার অসুস্থ ছেলে মো:  সাখাওয়াত এর পক্ষে হারুন অর রশিদ আপনার সংগঠনের অফিসে এসে আইনত সহায়তার জন্য এই মর্মে আবেদন করছি যে,আমি নিম্মস্বাক্ষরকারী ১৯৭৮ সালে রুপালী হাউজিং সোসাইটির সদস্য আলী তালুকদার থেকে ঢাকা মিরপুরের সেনপাড়া পর্ব্বতা মৌজার ৪৭৯ নং দাগের ৪ কাঠা জমি খরিদ করে,  আমার নামে তহশিল অফিস থেকে নামজারী করে ঘরবাড়ী করে বসবাস করতেছি। ১৯৯০ সালে একোয়ার গেজেট হওয়ার পর জানতে পারি ১৯৭২/৭৩ সালে উক্ত দাগের জমি একোয়ার হয়েছিল। আমার জমি অধিকরনের কারনে ৬২(৯৮) নং এওয়ার্ডের বিপরীতে ক্ষতিগ্রস্থ তালিকার ৩৫৪ নং ক্রমিক নম্বরের জন্য উক্ত পুর্নবাসন প্লটটি ২৫/০৭/৯৪ ইং তারিখে আমার ছেলে সাখাওয়াতের নামে বরাদ্দ দেওয়া হয়। জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের দাবী মত প্লটের সম্পুর্ন মুল্য  চালানের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দিয়ে তার মুলকপি ৯/১০/৯৪ ইং তারিখে সংশ্লিষ্ট অফিসে জমা দিয়েছি কিন্তু অদ্যবিধি পর্যন্ত পুর্নবাসন প্লট বা কোন আর্থিক ক্ষতিপুরন বুজিয়ে দেয় নাই। ইতিমধ্যে মৌখিকভাবে ও লিখিতভাবে ২৭/০১/৯৬ইং , ০৬/০১/৯৯ইং,  ১৮/০৭/০২ ইং,  ১২/০৪/০৬ ইং,  ১৮/৯২/০৭ ইং,১২/০৯/১২ ইং,  ১৩/০২/১৪ ইং তারিখে দখল বুজিয়ে দেওয়ার জন্য তাগিদ দেই।  গৃহায়ণ  অফিসের ২৪/৯/১৩ইং তারিখে পত্রের মাধ্যমে ৮/১০/১৩ইং তারিখে আমার মূল কাগজ পত্রসহ চেয়ারম্যান  অফিসে উপস্থিত হয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে দেখাই। জানতে পারি  ৮নং সেকশনের ৫নং রোডের ১৩নং একই প্লট অন্য তিনজনকেও বরাদ্দ পত্র দেওয়া হয়েছে, দায়িত্বপ্রাপ্ত কোন কমকর্তার সময়ে, কাহার যোগসাজশে এই কর্মকাণ্ড হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করলেও সংশ্লিষ্ট অফিসা কোন ব্যবস্থা করে নাই।
তৎকালিন অফিস সহকারী মোঃ আশ্রাফ আমার এই এমপি ১২/৯৩ ফাইল খুলে এবং ২৯/৪/৯৩ইং তারিখে আমার কাগজপত্র দেখানোর জন্য ১৯/৪/৯৩ইং তারিখে পত্র ইস্যু করে,  যাহার স্মারক নং ১২/৯৩/২৪০২ সমস্ত কাগজপত্র পরীক্ষা করে তৎকালিন উপ-কমিশনার নুরুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার আঃ সাত্তার, অফিস সহকারী মোঃ আশ্রাফ আমাকে হস্তান্তরিত বরাদ্দপত্র অনুমোদন করে। তৎকালিন ভেসপাচ ক্লার্ক ইস্যু রেজিস্ট্রারে স্মারক নং দিয়ে ইস্যু রেজিস্ট্রারে আমার স্বাক্ষর নিয়ে ২/৩ মাস পরে এই বরাদ্দপত্র আমাকে হস্তান্তর করেন কিন্তু অদ্যবিধি দখল বুজে পাই নাই।
পরিবর্তে অন্য কোথাও আমাকে জমি প্রদান করা সম্ভব না হইলে সেনপাড়া পৰ্ব্বতা মৌজার ৪৭৯ নং দাগের আমার বাড়ীর ৪৫ নং এটি অবমুক্ত করে তাহার বরাদ্দ বাতিল করে আমার জমি হতে গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের দখল প্রত্যাহার করে নিতে বলি।  সংশ্লিষ্ট অফিসের তৎকালিন কর্মচারীদের ষড়যন্ত্রের কারণে তাহা করা হয় নাই। দখলাবিহীন একটি প্লট আমাকে বরাদ্দ দিয়ে ৩১/৩২ বছর যাবত আমাকে হয়রানি করে আসতেছে জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ। আমার তাগিদ পত্রে ততকালীন প্রতিমন্ত্রী,  এমপিগন সুপারিশ করে স্বাক্ষির করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরন করা হয়েছে কিন্তু কোন কার্যকরী পদক্ষেপ নেয় নাই। আমি এই দুর্নীতিবাজদের পিছনে ঘুরতে ঘুরতে বৃদ্ধ হয়েছি, আমার নগদ অর্থ ক্ষতি, ব্যবসায়ীক ক্ষতি হয়েছে। আমি দুর্নীতিবাজদের বিচার চাই, আমার ক্ষতিপুরন চাই, পুর্নবাসন প্লট দখল বুজিয়ে না দিলে  আমার জমি ফেরত চাই।  আপনি বা আপনার সংগঠন বা আপনার কর্মকর্তারা আমাকে আমার ন্যায্য অধিকার আদায় করার জন্য, সমস্ত  প্রকার আইনত সহায়তা করতে মর্জি হয়

আরও খবর:

Sponsered content