অপরাধ

আলফা ৩ স্যারের নির্দেশে তদন্ত ছাড়া মিথ্যা মামলা, অভিযোগ মন্ত্রনালয়ে

  editor 14 October 2025 , 6:49 pm

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ  নারায়নগঞ্জ জেলার  ফতুল্লা থানার ওসি শরিফুল ইসলামের তদন্ত ছাড়া মিথ্যা মামলা নেওয়া, উক্ত মিথ্যা মামলার এফ আর  টির ব্যবস্থা, অমানবিক ও অনৈতিক কাজের আইনত ব্যবস্থা গ্রহন করার জন্য আইজিপি ও ডিআইজি’র নিকট আবেদন করছে ভুক্তভোগী সাংবাদিক সুলতান মাহমুদ। সাংবাদিক বাদী বলে মামলা রুজুতে গড়িমশি,  তদন্ত ছাড়া সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা নিতে মহাখুশি ফতুল্লা থানার ওসি শরিফুল ইসলাম। ভুক্তভোগীর আবেদন নিম্মরুপঃ-

নিম্মস্বক্ষরকারীর পথ রোধ করে ১নং বিবাদী মান্নান বাদীর মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে ২০,০০,০০০(বিশ লক্ষ)টাকা চাদা দাবী করে, না দিলে আবার মিথ্যা মামলায় জেলে ডুকাবে, ফেসবুকে অপ-প্রচার করে ভাইরাল করবে বলে গাল-মন্দ করে। ৪নং ও ৫নং বিবাদী আমাকে কিল-ঘুষি মারিয়া নীলাফুলা জখম করে, দুই হাতে দুইজনে ধরে রাখলে ২নং বিবাদী আমার প্যান্টের পকেট থেকে ৫০০০(পাচ হাজার) টাকা ও গুরত্ত্বপুর্ন ডকুমেন্ট ছিনিয়ে নিয়ে যায়। আমার সাথে থাকা সহকর্মী সাংবাদিক সফিকুর রহমানকে ৩নং ও ৫নং এবং ৬নং বিবাদী আটক করে জিম্মি করে বলে, তুই স্বাক্ষী দিলে তোরেও মিথ্যা মামলা দিয়ে মামার বাড়ির ভাত খাওয়াব আর সাংবাদিকতা শিখিয়ে দিব। সফিকের হাতে থাকা এন্ড্রয়েড সামসাং মোবাইল ও গলায় থাকায় ৪ আনা স্বর্নের চেইন ছিনিয়ে নেয়। আমাদের ধস্তাধস্তি দেখে কয়েকজন পথচারী এগিয়ে আসলে সন্ত্রাসীরা এই বলে হুমকি দেয় কাউকে জানালে শহর থেকে গুম করে ফেলব। ১নং বিবাদী নিম্মস্বাক্ষরকারীর নামে সামাজিক মাধ্যমে ফেইসবুকের ফেক আইডি দিয়ে বিভিন্ন মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য অপ-প্রচার করে সম্মানহানী ও ব্যবসায়ীক ক্ষতি করেছে।১নং ও ৫নং বিবাদী যোগসাজসে বাদী নামে মিথ্যা বানোয়াট মামলা দেওয়ার পায়তারা করতেছে এবং বিগত দিনে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেল-হাজতে প্রেরন করে মানসিক নির্যাতন ও ব্যবসায়ীক ক্ষতি করেছে। এই আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সন্তাসীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার অত্যান্ত জরুরী। মান্নান থেকে অনৈতিক সুবিধা পেয়ে আমার করা অভিযোগের সত্যতা পেয়েও মামলা রুজু করে নাই ওসি ফতুল্লা। বিগত ২০ জুন ২০২৫ ইং তারিখে ফতুল্লা থানায় অভিযোগ করলে দুইজন এস আই দিয়ে ঘটনা তদন্ত করে সত্যতা পেয়েও দুর্নীতিবাজ ওসি শরিফুল মামলা নেয়নি কিন্তু নিম্মস্বাক্ষরকারী সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অনৈতিক সুবিধা পেয়ে মিথ্যা মামলা রুজু করে। পরবর্তিতে ফতুল্লা ওসি স্বীকার করে বলে আপনার বিরুদ্ধে মামলা নেওয়া অমানবিক হয়েছে, আমি আলফা ৩ স্যারের চাপে মামলা নিয়েছি। আলফা ৩ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক আল মেহেদীকে কল করে জানতে চাইলে কে তদন্ত করেছে বা তিনি নিজে করেছে কি না তার কোন উওর না দিয়ে সামনে গিয়ে কথা বলতে বলে। পরের দিন গিয়ে তারেক আল মেহেদীকে না পেয়ে এসপি জসীম উদ্দীনের সাথে ভুক্তভোগী কথা বলে। মিথ্যা মামলা তদন্ত কর্মকর্তা এস আই আশরাফ বলে ভাই আমি মামলার দায়িত্ব পেয়েছি মামলা রুজু হওয়ার পর, আগে কোন তদন্ত হয়নি,আমি করিনি, আপনাকে রিমান্ডে আনা হয়েছে উপরেরর স্যারদের নির্দেশে কিন্তু আমি জানি আপনি নির্দোষ। নিম্মস্বাক্ষরকারীর আবেদিত অভিযোগগুলি আমলে নিতে ও তদন্ত ছাড়া মিথ্যা মামলার এফ আর টি দিতে ফতুল্লা থানায় গিয়ে কয়েক দিন অনুরোধ করলেও ওসি শরিফুল ইসলাম কোন কর্নপাত করে নাই বরং বাদী করা ১(১২)২৪ মামলা থেকে অভিযুক্ত প্রতারক মান্নানের নাম অনৈতিক সুবিধা নিয়ে, ত্রাক আল মেহেদীর নির্দেশে চার্জশীট থেকে বাদ দিয়েছে। তাছাড়া অনেক ভুক্তভোগির অভিযোগ আমলে নেয় নাই ওসি শরিফুল, টাকার কাছে ও বিএনপির দালালদের কাছে বিক্রি ওসি শরিফুল ইসলাম। টাকার বিনিময়ে অনেক অসহায়দের বৈষম্যবিরোধী মামলা ফাসিয়ে জেলে প্রেরন, মামলা থেকে বাদ দেওয়ার পায়তারা করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে ওসি শরিফুল ইসলাম এবং জানা যায় তাকে সহয়তা করছে তারক আল মেহেদী। আমি ন্যায় সঙ্গত ও আইনত ব্যবস্থা চাই এমন অমানবিক ও অনৈতিক ওসি ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের বিরুদ্ধে।

আরও খবর:

Sponsered content