অপরাধ

চাদাবাজীর মুল হোতা প্রতারক মান্নান ও আকরাম

  editor 15 October 2025 , 10:29 am

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ নারায়ণগঞ্জ জেলার সিনিয়র সাংবাদিক, সংগঠক ও ব্যবসায়ী সুলতান মাহমুদ বাদী হয়ে চাদাবাজ ও প্রতারক দিলশাদ, মান্নান ও আকরামের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায় করেছে।  ১৫ অক্টোবর বুধবার  ফতুল্লা থানায় উপস্থিত হয়ে এই অভিযোগ করেছে। ৪ জনের নাম উল্লেখ্য করে আরো ৩/৪ জন অজ্ঞাত দিয়ে থানায় অভিওগ করা হয়।

গত ০৭/১০/২৫ইং তারিখে বিকাল আনুমানিক ৪ ঘটিকার সময় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের উলটা পাশে বন্ধু বাস কাউন্টারের কাছাকাছি চায়ের দোকানের পাশে বিবাদীরা নিম্মস্বক্ষরকারীর পথ রোধ করে ১০,০০,০০০(দশ লক্ষ)টাকা চাদা দাবী করে, না দিলে আবার মিথ্যা মামলায় জেলে ডুকাবে, ফেসবুকে অপ-প্রচার করে ভাইরাল করবে বলে গাল-মন্দ করে। দুই হাতে দুইজনে জবরদস্তি ধরে রাখলে ১নং বিবাদী আমার প্যান্টের পকেট থেকে ১৫০০০(পনের হাজার) টাকা ও গুরত্ত্বপুর্ন ডকুমেন্ট ছিনিয়ে নিয়ে যায়। আমাদের ধস্তাধস্তি দেখে কয়েকজন পথচারী এগিয়ে আসলে সন্ত্রাসীরা এই বলে হুমকি দেয়, “কাউকে জানালে শহর থেকে উঠিয়ে নিয়ে গুম করে ফেলব।”

বিগত জুলাই মাসে ১নং বিবাদী ২নং বিবাদীকে দিয়ে ১৪ জুলাই থানায় মিথ্যা অভিযোগ করিয়ে পুলিশের উর্ধতন কর্মকর্তা দিয়ে ওসিকে চাপ দিয়ে তদন্ত ছাড়া মিথ্যা চাদাবাজী মামলা রুজু করালে সাংবাদিক সুলতান মাহমুদ অবগত হয়ে ২০ জুলাই মিথ্যা মামলা থেকে অব্যহতি ও জামিনের জন্য আদালতে আত্মস্বমর্পন করলে উক্ত বিবাদীগন বিএনপি সমর্থিত আইনজীবী দিয়ে আদালদকে ভুলতথ্য দিয়ে ও ভায়াস্ট করে জামিন না মঞ্জুর করায়। নিম্মস্বাক্ষরকারী সাংবাদিককে আদালত থেকে জেল হাজতে প্রেরনের সময় উক্ত বিবাদীরা সন্ত্রাসী দিয়ে নিম্মস্বাক্ষরকারীর উপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে শারিরীক ও মানসিকভাবে নির্যাতন চালিয়ে ভিডিও করে মিথ্যা তথ্য দিয়ে সংবাদ বানিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ও পরিচিত লোকজনের কাছে প্রেরনের মাধ্যমে অপ-প্রাচার করে পত্রিকার ও সংগঠনের সম্মানহানী করে, ব্যবসায়ীক ক্ষতিগ্রস্থ ও সামাজিকভাবে হেয়-প্রতিপন্ন করে।

উক্ত বিবাদীরা আদালতের এজলাসে নিম্মস্বাক্ষরকারীকে ভুয়া সাংবাদিক আখ্যায়িত করে জনসম্মুখে অপমান ও অপদস্থ করে। ৩নং বিবাদী ফতুল্লা থানার ১(১২)২৪ নং মামলার স্বাক্ষীদের মাহমুদপুর গিয়ে ভয়ভীতি দেখায় এবং ঙ্কিম্মস্বাক্ষরকারীর পুর্বের অফিসে(নেকবর মাতবর রোড) বাসা নং ০১ এ লাগানো সিসি ক্যামেরা ভাঙ্গিয়া নিয়ে আসে। দপ্তরবার্তার স্তাফ-রিপোর্টার মাহবুব ও সালমানকে অনৈতিক সুবিধা দিয়ে ফতুল্লা থানার ১(১২)২৪ নং মামলার স্বাক্ষী না দিয়ে উলটা বাদীর বিরুদ্ধে ডিসি অফিসে মিথ্যা আবেদন করিয়ে মিথ্যা সংবাদ বানিয়ে অপ-প্রচার চালায়। উক্ত বিবাদীরা মাহবুব ও সালমানকে মেনেজ করে নিম্মস্বাক্ষরকারীর সংরক্ষিত পিসি মাহবুবের অফিস থেকে চুরি নিয়ে যায়। পিসিতে থাকা ২৩ বছরের গার্মেন্টস বায়িং হাউজের ডকুমেন্টস, দুইটা পত্রিকার ও ৬টি পোর্টালের সংবাদের ডকুমেন্টস এবং বিভিন্ন সংগঠনের নথি গায়েব করে, যা কোটি টাকার চেয়েও মুল্যবান সম্পৎ। উক্ত বিবাদীরা নিম্মস্বাক্ষরকারীর নামে সামাজিক মাধ্যমে ফেইসবুকের ফেক আইডি দিয়ে বিভিন্ন মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য অপ-প্রচার করে সম্মানহানী ও ব্যবসায়ীক ক্ষতি করছে।

আরও খবর:

Sponsered content