অপরাধ

সাংবাদিক হেনস্থায় মোস্তাফিজের বিরুদ্ধে চেয়ারম্যান বরাবর অভিযোগ  

  editor 26 July 2026 , 1:17 pm

নিজস্ব প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জ বিআইডব্লিউটিএ তথ্য চাওয়া ও সংবাদ প্রকাশের জেরে জয়েন্ট ডাইরেক্ট মোস্তাফিজ কর্তৃক সাংবাদিক হেনস্থা ও অপমান-অপদস্থের বিচার চেয়ে বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান বরাবর অভিযোগ করেছে সাংবাদিক ও সংগঠক সুলতান মাহমুদ।

২৬ জুলাই রোববার বিকালে বিআইডব্লিউটিএ’র প্রধান কার্যালয়, মতিঝিল ঢাকাতে এই অভিযোগ করেছে। অভিযোগটি হুবহুব নীচে তোলে ধরা হল:

“আমি সাংবাদিক ও সংগঠক সুলতান মাহমুদ, সহ-সম্পাদক দৈনিক আমাদের বাংলা, সম্পাদক -দপ্তরবার্তা, কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক- পপার্স লিগ্যাল এইড ফাউন্ডেশন, সিনিয়র ভাইস-চেয়ারম্যান- ন্যাশনাল প্রেস সোসাইটি আপনার অফিসে উপস্থিত হয়ে বিচার প্রার্থনা করছি যে, বিআইডব্লিউটিএ’র উপ-পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান ( নারায়ণগঞ্জ ) বিগত ২০ জুলাই ২০২৬ ইং তারিখে দুপুর ১ টার দিকে তথ্য চাওয়া ও সংবাদ প্রকাশের জেরে নিম্মস্বাক্ষরকারীকে বিআইডব্লিউটিএ নারায়ণগঞ্জ অফিসে আটক করে নির্যাতন, অপমান-অপদস্থ করে। তার হাতের মোবাইল দুইটি ছিনিয়ে নিয়ে জব্দ করে যেন কাউকে ফোন করতে না পারে। ফোনের সকল তথ্য গায়েব করে, মিথ্যা মামলার ভয় প্রদর্শন করে। মোস্তাফিজ ও তার অধীনস্থ কর্মচারীরা শারীরিক ও মানসিক টর্চার করে হেয় প্রতিপন্ন করে। প্রথমে কর্মরত আনসার বাহিনী ডাকলে তারা আমাকে বের হয়ে যেতে বলে কিন্তু উপ-পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান আমাকে জবরদস্তি বসিয়ে রেখে নৌ-পুলিশ এনে নাটক সাজিয়ে মিথ্যা মামলার পায়তারা করে, পরে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি তদন্ত ও অপারেশন, কয়েকজন এসআই ও কন্সটেবল এসে নিম্মস্বাক্ষরকারীকে দেখে আটকের কারন জিজ্ঞাসা করলে উপ-পরিচালক ও কর্মচারীরা মিথ্যা অভিযোগ করলে ওসি তদন্ত রাসেদুল বলল, “সুলতান ভাই সিনিয়র সাংবাদিক, আমি তাকে ২ বছর আগে সোনারগাঁও থানায় থাকা অবস্থায় চিনি, এই থানায় এসেও জানি, আমার ওসি এবং এসপি স্যারেরা উনাকে চিনে, আমরা মিথ্যা মামলা নিতে পারব না। আপনারা নিজেদের মধ্যে মিট করে নিন। ” ওসি তদন্ত আমার মোবাইল দুইটি তাদের কাজ থেকে উদ্ধার করে দেয়। মোস্তাফিজ রহমানের নির্দেশে তার কর্মচারীরা প্রকাশ্যে ও গোপনে বিভিন্নভাবে ভিডিও করে এবং অংগীকার নামা স্বাক্ষর করায়। আমি উপ-পরিচালককে স্যার না বলায় ও পত্রিকার আইডি শো না কারায় এমন দুর্ব্যবহার করে। একটা প্রশ্ন পত্রিকার সম্পাদক বা প্রকাশকদের কি আইডি কার্ড সাথে রাখা বাধ্যতামূলক, তাদের ভিজিটিং কার্ডের বা সাথে থাকা পত্রিকায় কোন মুল্য নাই। আমরা ব্যবসায়ীরা ইনকামটেক্স দেই যা দিয়ে সরকার তার সরকারি সমস্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন-ভাতা প্রদান করেন। আর আমরাই কর্মচারী দিয়ে অপমান-অপদস্থ ও হেনস্তার শিকার হই। এই দুর্ব্যবহারের বিচার ও শাস্তি চাই।

আরও খবর:

Sponsered content