অপরাধ

হত্যা মামলাসহ একাধিক মামলার আসামি বাটপার মান্নান, গ্ৰেফতার করছে না পুলিশ

  editor 23 November 2025 , 3:53 am

ক্রাইম ডেস্ক:- নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পাঠান টুলি আইল পাড়া ঠেলা গাড়ি চালক সামসুদ্দীন আঃ হান্নান মিয়ার কুখ্যাত ছেলে মাদক ব্যবসায়ী ও ধর্ষন মামলায় ১০বছর সাজাপ্রাপ্ত সহ একাধিক মামলার পলাতক আসামি বাটপার মান্নানকে গ্ৰেফতার‌ না করায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভোক্তবোগীরা। এই বাটপার মান্নান কখনো সার্টিফিকেট প্রদান কখনো বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কখনো ত্রাণ সহায়তা, কখনো ডিসি ও এসপির পার্সোনাল সেক্রেটারী পরিচয়, কখনো বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ রেজিস্ট্রেশন ফির নামে হাতিয়ে নিয়েছে লাখ লাখ টাকা।

চিহ্নিত প্রতারক মান্নান কখনো স্থীর থাকতে পারে না কোন নিজের প্রতারণা আর ফিটিং খাওয়ার জন্য সরকারি ভাবে জমি সহ ঘর নির্মাণ করে দেওয়ার কথা বলে প্রতিবন্ধীর কাছ থেকে দুই লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। সরকারি সহায়তা সেই প্রতিবন্ধী বাটপার মান্নান ও তার স্ত্রী আয়েশা আক্তার সহ চারজনের বিরুদ্ধে প্রতারনা মামলা দায়ের করলে বিচারক তাদের বিরুদ্ধে গ্ৰেফতারি পরোয়ানা জারি করলে অদ্যবতি পলাতক রয়েছে স্বামী স্ত্রী। প্রতারক মান্নানের পরিবারের সদস্যদের মুল উদ্দেশ্য হচ্ছে প্রতারণা ও ধাপ্পাবাজি করে সাধারণ মানুষকে ধোঁকা দিয়ে টাকা পয়সা হাতিয়ে নেওয়া, তাহলে এখন প্রশ্ন হচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কেন এই বাটপার মান্নান কে গ্ৰেফতার করছে না?
প্রতারক মান্নানের খপ্পরে পড়ে অনেকেই সর্ব হাড়া, স্থানীয় সূত্রে লোকজন বলছে এই যে প্রতারক মান্নান বিভিন্ন বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ দেয় কারো নাম ও পদবী বা ঠিকানা প্রকাশ করা হয়না। সাম্প্রতিক সময়ে নারায়ণগঞ্জের স্থানীয় পত্রিকায় প্রতারক মান্নানের বিরুদ্ধে নিউজ প্রকাশিত হয় যে, মানব কল্যাণ পরিষদের নামে বাটপার মান্নান প্রশিক্ষণের দোকান খুলে বসেছিল যে কিনা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ধষর্ণ মামলায় ১০বছর সাজাপ্রাপ্ত সহ একাধিক মামলার আসামি। সেই সংবাদ পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়ার পর বাটপার মান্নান তার মাধবী লতা প্লাজার প্রশিক্ষণের দোকান গুটিয়ে গা ডাকা দিয়ে পালিয়ে আছে।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় দায়ের করা ধষর্ণ মামলায় নারায়ণগঞ্জ চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ১০ বছরের সাজা প্রদান করে। ধর্ষক মান্নান ৩৬ মাস তিন বছর জেল হাজতে কারা ভোগের জামিনে বেরিয়ে এসে পূণরায় অসামাজিক কার্যকলাপ সহ বিভিন্ন অপকর্ম করে যাচ্ছে। বাটপার মান্নানের বিরুদ্ধে ফের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ইস্যু হয়েছে, সিদ্ধিরগঞ্জের সেন্টু মিয়া পিতা মৃত চাঁন মিয়া তার দীর্ঘদিনের রক্ষণাবেক্ষণায় পুকুরে মাছ চাষ করে আসলে ও হঠাৎ করে প্রতারক মান্নান ডিসির নাম ভাঙিয়ে সেই পুকুর দখলের চেষ্টা করতে গেলে স্থানীয় লোকজন উত্তম মাত্তম দিয়ে বিতাড়িত করে দিয়েছে বলে জানা যায়। সাম্প্রতিক বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নিউজ হয়েছে এই প্রতারক পরিবারের সদস্যদের যদি কেউ ধরিয়ে দিতে পারে তাহলে তাদের পুরস্কার দেওয়া হবে। একজন চিহ্নিত প্রতারক হত্যা মামলা সহ একাধিক মামলার আসামি বাটপার মান্নান গ্ৰেফতার না হওয়ায় জনমনে আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয় জনতা নবাগত পুলিশ সুপার ও জেলা প্রশাসকের নিকট আবেদন জানিয়েছে এই বাটপার মান্নানকে দ্রুত গ্ৰেফতার করে শাস্তি মুলক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য।

প্রতারক মান্নানের ছোট ভাই একজন শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী ইমতিয়াজ তিনি এখন তরুণ দলের সদস্য।অথচ আওয়ামী লীগের সময়ে বাটপার মান্নান সহ তার মাদক ব্যবসায়ী ভাই ছাত্রদের উপর সরাসরি হামলা করেছে। প্রতারক মান্নান ডিসি ও এসপি অফিস থেকে বিধবা নারী, স্বামী পরিত্যক্ত নারী, মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়েদের অনুদানে কথা বলে অর্থ আত্মসাত করেছে। বাটপার মান্নান এর বৈধ কোন আয়ের উৎস না থাকায় এখন মামলা বানিজ্যে মেতে উঠেছে, বিভিন্ন মানুষকে মিথ্যা মামলা দিয়ে চাঁদাবাজি করতে করতে সেই বাটপার এখন নিজেই হত্যা মামলার আসামি। প্রতারক মান্নানের বিরুদ্ধে রয়েছে একাধিক মামলা। সিদ্ধিরগঞ্জ থানা ১৮৮/নারী ও শিশু নির্যাতন ধষর্ণ মামলা, ফতুল্লা থানা ১৭৩/১৭ প্রতারণা মামলা, সদর থানা ৪১/২৪ প্রতারণা মামলা বন্দর থানা ৯৭/২৪ নারী শ্লীলতাহানি ও প্রতারণার, আড়াইহাজার থানা ১৩২/২৫ প্রতারণা মামলা।সি আর ২২৫/২৫ এতো গুলো মামলার আসামি বাটপার মান্নান। নারায়ণগঞ্জ বাসী বলছে জেলার শীর্ষ পদক প্রতারক হত্যা মামলা সহ একাধিক মামলার আসামি প্রতারক মান্নান যদি গ্ৰেফতার না হয় তাহলে ভোক্তবোগীদের জীবনের নিরাপত্তার আশংকায় রয়েছে।

আরও খবর:

Sponsered content