Uncategorized

মব সৃষ্টি করে সংগঠক ও সাংবাদিককে অপদস্থ

  editor 23 July 2026 , 12:25 pm

নিজস্ব প্রতিবেদক : নারায়ণগঞ্জ বিআইড্রব্লিউটিএ অফিসে যুগ্ন পরিচালক মোস্তাফিজের মব সৃষ্টিতে সাংবাদিক অপদস্থ হয়েছে। নারায়ণগঞ্জ জেলার ধর্ষক মান্নানের প্ররোচনায় যুগ্ন পরিচালক মোস্তাফিজ মব সৃষ্টি করে সিনিয়র সাংবাদিক সুলতান মাহমুদকে অপদস্থ করেছে।

২০ জুলাই সোমবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ বিআইডব্লিউটিএ  অফিসে ধর্ষক মান্নান ভুইয়ার প্ররোচনায় যুগ্ন পরিচালক মোস্তাফিজের নির্দেশ মব সৃষ্টি করে সিনিয়র সাংবাদিক সুলতান মাহমুদকে অপমান ও অপদস্থ করা হয়। সাংবাদিক টেন্ডারের তথ্য জানতে চাইলে এমন অশুভোন আচরন করিয়েছে যুগ্ম-পরিচালক মোস্তাফিজ। দৈনিক আমাদের বাংলা পত্রিকার সহ-সম্পাদক সুলতান মাহমুদ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক মিজানুর রহমান চৌধুরীর নির্দেশ ঐ দপ্তরে তথ্যের জন্য গিয়েছিল। সকলের পরিচিত সাংবাদিক হয়েও মবের স্বীকার ভুক্তভোগী সাংবাদিক সুলতান মাহমুদ। ভিজিটিং কার্ড ও পত্রিকা দেওয়ার পরেও  তাকে আইডি কার্ড দেখাতে হবে, ভাই নয়, স্যার সম্বোধন  করতে হবে হুংকার দিয়ে বলে দুর্নীতিবাজ মোস্তাফিজ।

যুগ্ন পরিচালক মোস্তাফিজ সাংবাদিকের অপমান অপদস্থ করে থামেনি, নৌ-পুলিশ কল করে এনে গ্রেফতারের ভয়ভীতি দেখায়,  নারায়ণগঞ্জ সদর থানার পুলিশ কল করে  চাদাবাজীর মামলার হুমকি ও ভয়ভীতি দেখায়। ঘটনার সময় কুচক্রী মোস্তাফিজ নারায়নগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সভাপতি আবু সাউড মাসুদকে কল করলে মিথ্যা তথ্য দিয়ে তার লালিত পালিত স্টাফ দিয়ে  হেরেস্মেন্ট করায় সিনিয়র সাংবাদিক সুলতান মাহমুদকে। তাতক্ষনিক সুলতান মাহমুদ নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি এডভোকেট মাহবুবুর রহমান মাসুমকে কল করে কথা বলে কিন্তু বর্তমান সভাপতি আবু সাউড মাসুদ কল ধরে ঘুমের বাহানায় নাটক করে মববাজকে সহয়তা করে বলে ভুক্তভোগীর দাবী। দুর্নীতিবাজ যুগ্ম-পরিচালক মোস্তাফিজ আরেক ধান্দাবাজ সাংবাদিককে কল করে এনে মব তৈরিতে সাহায্য নেয়। ধান্দাবাজ সাংবাদিক দৈনিক আমাদের বাংলা ও আমাদের চট্রগ্রাম পত্রিকাকে আন্ডারগ্রাউন্ড পত্রিকা,  সম্পাদক ও প্রকাশ মিজানুর রহমান চৌধুরীকে ধান্দাবাজ বলে  আখ্যায়িত করে।

নারায়ণগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক আল মেহেদী ও নারায়ণগঞ্জ সদর থানার ওসিকে সাংবাদিক সুলতান মাহমুদ কল করলে, নারায়ণগঞ্জ সদর থানার ওসি তদন্ত রাসেদুল এবং ওসি অপারেশন এবং এসআইগন  আসলে ঘটনা অন্য দিকে মোড় নেয়। দৈনিক আমাদের বাংলা পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক মিজানুর রহমান চৌধুরীর তৎপরতায় সাংবাদিক সুলতান মাহমুদকে অবমুক্ত হয় কিন্তু কুচক্রীরা জাবরদস্তি  করে অংগীকার নামায় স্বাক্ষর করায়।

তথ্য সুত্রে জানাযায়, বিআইডব্লিউটিএ নারায়ণগঞ্জ অফিসে মোস্তাফিজ যুগ্ম-পরিচালক হয়ে আসার পর দুর্নীতি আগের চেয়ে অনেক বেশি হচ্ছে। মোস্তাফিজ বিআইডব্লিউটিএ এর প্রধান কার্যালয়ের উর্ধতন কর্মকর্তাদের তোয়াক্কা না করে তার অধীনস্থ আনসার বাহিনী দিয়ে আইন বহির্ভূত অনেক কাজ করাচ্ছে বলে জানা যায়। নারায়ণগঞ্জ নদী বন্দরে বিভিন্নস্থানে অবৈভাবে দখলদারদের বসিয়ে বানিজ্য করছ বলে তথ্য পাওয়া যায়। তার সাথে কিছু স্থানীয় সাংবাদিক জড়িত আছে এবং ধর্ষণ মান্নান ভুইয়ার হাত রয়েছে।